তাফসির
কুরআনের অর্থ ও মর্ম অনুধাবনের শাস্ত্র
তাফসির হলো কুরআনের আয়াতসমূহের ব্যাখ্যা ও মর্মার্থ উদ্ঘাটনের শাস্ত্র। এর জন্য আরবি ভাষা, শানে নুযূল, নাসিখ-মানসুখ ও উসূলের জ্ঞান প্রয়োজন। ব্যক্তিগত মতামতের ভিত্তিতে কুরআনের ব্যাখ্যা করা নিষিদ্ধ।
كِتَابٌ أَنزَلْنَاهُ إِلَيْكَ مُبَارَكٌ لِّيَدَّبَّرُوا آيَاتِهِ وَلِيَتَذَكَّرَ أُولُو الْأَلْبَابِ
এটি একটি বরকতময় কিতাব, যা আমি আপনার প্রতি অবতীর্ণ করেছি, যাতে মানুষ এর আয়াতসমূহ নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা-গবেষণা (তাদাব্বুর) করে এবং বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিরা উপদেশ গ্রহণ করে।
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইবনে আব্বাস (রা.)-এর জন্য দোয়া করেছিলেন:
اللَّهُمَّ فَقِّهْهُ فِي الدِّينِ، وَعَلِّمْهُ التَّأْوِيلَ
হে আল্লাহ! আপনি তাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান (ফিকহ) দান করুন এবং কুরআনের মর্মার্থ (তাওয়ীল/তাফসির) শিক্ষা দিন।
শিক্ষণীয় দিক ও ব্যবহারিক নীতিমালা
তাফসির বিল-মাসুর
কুরআনের ব্যাখ্যা কুরআন দ্বারা, অতঃপর সুন্নাহ, সাহাবা ও তাবিঈনের বর্ণনা দ্বারা-এটিই সর্বাধিক নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
শানে নুযূল
কোন প্রেক্ষাপটে আয়াত নাজিল হয়েছে তা জানলে অর্থ অনেক স্পষ্ট হয়।
তাদাব্বুর
কেবল পড়া নয়, থেমে চিন্তা করা-আয়াতটি আমার জীবনে কী দাবি করছে তা খোঁজা।
সীমা মেনে চলা
যোগ্যতা ছাড়া কুরআনের ব্যাখ্যা করা নয়; নির্ভরযোগ্য তাফসিরগ্রন্থ ও আলেমের শরণাপন্ন হওয়া।


